নিজস্ব প্রতিনিধি
স্বাধীনতা পার্টির উদ্যোগে পার্টির চেয়ারম্যান জননেতা মিজানুর রহমান মিজুর সভাপতিত্বে সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে “রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক
প্রচারণার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক রাষ্ট্রদূত অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক, বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসােসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির
যুগ্ম মহাসচিব সিএম মানিক, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের দেলােয়ার হােসেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মােঃ শাহজাহান প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রান্তিক পর্যায়ে অর্থ লেনদেনের জন্য মােবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (এম এফ এস) বা মােবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস ২০১২ সালে চালু করে। বর্তমান করােনা মহামারীর মধ্যে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে মােবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস সবচাইতে বেশি ভূমিকা পালন
করেছে। দীর্ঘদিন একটি প্রতিষ্ঠান একচেটিয়া মনােপলি ব্যবসা করে আসছে।যার বিনিয়ােগকারী বেশিরভাগই বিদেশি প্রতিষ্ঠান এবং সার্ভিস চার্জ সর্বোচ্চ ২০ টাকা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা জনগণকে সাশ্রয়ী মূল্যে সেবা দেয়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালে থার্ড ওয়েভ প্রতিষ্ঠান সাথে ডাক বিভাগের অংশীদারিত্ব নগদ চালু করে। পরবর্তীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০১৯ সালে নগদ এর শুভ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। জমা টাকার লভাংশ গ্রাহককে দেয়া, শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান, বয়স্ক ভাতা, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ প্রদান সহ বিভিন্ন খাতের সেবামূলক অর্থ প্রদান করে ব্যাপক নজির সৃষ্টি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এক বছরেই প্রতিষ্ঠানটি সার্ভিস চার্জ বাবদ গ্রাহকদের সাশ্রয়ী করেছেন প্রায় ১ হাজার ৭ কোটি টাকা। আগামীতে যখন সাশ্রয়ী ও উন্নত সেবা প্রদান করতে সরকারের সাথে অংশিদারিত্বমুলক কার্যক্রমের মাধ্যমে আরও সক্রিয় হতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি ঠিক তখনই এই প্রতিষ্ঠান মালিকানা স্বত্ব নিয়ে বিতর্ক মূলক প্রচার কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক যােগাযােগ মাধ্যমের অপব্যবহার করে প্রচারণা চালাচ্ছে একটি স্বার্থান্বেষী গােষ্ঠী। সরকার যখন অনৈতিক লেনদেন বন্ধ করতে চায় তখন এই প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী সরকার অনৈতিক লেনদেন গুলিকে বন্ধ করে দিয়েছে। এই বিষয়টিকে ও অসৎ উদ্দেশ্যে অপপ্রচার করা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে আমরা বলতে চাই আপনার উদ্বোধনী প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রীয় অংশীদারিত্বমূলক প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে যে সকল অপপ্রচার চালানাে হচ্ছে বা যারা চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
Leave a Reply